
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মুসলমানদের সবচয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনেও বিএনপি নেতাদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল আর ক্ষমতাসীনদের ঘরে অট্টহাসি চলছে।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার গুম হওয়া বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী, পুলিশের নির্যাতন ও গুলিতে নিহত ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরু ও পুলিশ হেফাজতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান জনির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।
বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, আজ ঈদের দিন আমি গুম হওয়া ইলিয়াস আলী, পুলিশের নির্যাতন ও গুলিতে নিহত নুরু ও পুলিশের কথিত বন্দুকযদ্ধে নিহত জনির বাসায় গিয়ে দেখি সেখানে শোকের মাতম চলছে। তাদের পরিবারে কোনো ঈদের আনন্দ নেই। তাদের স্ত্রী ও সন্তানরা এখনও শোকে কাতর।
তাদের পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের গুম, খুন, জুলুম নির্যাতনে বিএনপির নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের ঈদ আনন্দ আজ বিবর্ণ। বিএনপি নেতা-কর্মীরাসহ দেশের বেশিরভাগ মানুষ কোনোভাবে নির্যাতিত। তাই সবাই কোনো না কোন দুঃখ কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। এই ঈদেও মানুষের মধ্যে কোনো শান্তি নেই, সুখ নেই। এভাবে আর চলতে পারে না। এ সরকারের বিদায় ছাড়া দেশের মানুষের মধ্যে শান্তি ফিরে আসবে না।
তিনি বলেন, প্রতিটি হত্যা ও গুমের বিচার একদিন হবে। গুম করে, হত্যা করে, নিপীড়ন করে, ডামি নির্বাচন করে সরকার পার পাবে না।
ঈদের দিন প্রথমে তিনি গুম হওয়া ইলিয়াস আলীর বনানীর বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঈদ উপহার তুলে দেন। পরে তিনি নারায়নগঞ্জে নুরুল আলম নুরুর বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে তারেক রহমানের ঈদ উপহার তুলে দেন। এরপর তিনি যান কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত জনির খিলগাঁওয়ের বাসায়। সেখানে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের হাতে তারেক রহমানের ঈদ উপহার তুলে দেন। পরে তিনি নিহত জনির কবর জিয়ারত করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছিলেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মুসলমানদের সবচয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনেও বিএনপি নেতাদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল আর ক্ষমতাসীনদের ঘরে অট্টহাসি চলছে।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার গুম হওয়া বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী, পুলিশের নির্যাতন ও গুলিতে নিহত ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরু ও পুলিশ হেফাজতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান জনির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।
বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, আজ ঈদের দিন আমি গুম হওয়া ইলিয়াস আলী, পুলিশের নির্যাতন ও গুলিতে নিহত নুরু ও পুলিশের কথিত বন্দুকযদ্ধে নিহত জনির বাসায় গিয়ে দেখি সেখানে শোকের মাতম চলছে। তাদের পরিবারে কোনো ঈদের আনন্দ নেই। তাদের স্ত্রী ও সন্তানরা এখনও শোকে কাতর।
তাদের পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের গুম, খুন, জুলুম নির্যাতনে বিএনপির নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের ঈদ আনন্দ আজ বিবর্ণ। বিএনপি নেতা-কর্মীরাসহ দেশের বেশিরভাগ মানুষ কোনোভাবে নির্যাতিত। তাই সবাই কোনো না কোন দুঃখ কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। এই ঈদেও মানুষের মধ্যে কোনো শান্তি নেই, সুখ নেই। এভাবে আর চলতে পারে না। এ সরকারের বিদায় ছাড়া দেশের মানুষের মধ্যে শান্তি ফিরে আসবে না।
তিনি বলেন, প্রতিটি হত্যা ও গুমের বিচার একদিন হবে। গুম করে, হত্যা করে, নিপীড়ন করে, ডামি নির্বাচন করে সরকার পার পাবে না।
ঈদের দিন প্রথমে তিনি গুম হওয়া ইলিয়াস আলীর বনানীর বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঈদ উপহার তুলে দেন। পরে তিনি নারায়নগঞ্জে নুরুল আলম নুরুর বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে তারেক রহমানের ঈদ উপহার তুলে দেন। এরপর তিনি যান কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত জনির খিলগাঁওয়ের বাসায়। সেখানে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের হাতে তারেক রহমানের ঈদ উপহার তুলে দেন। পরে তিনি নিহত জনির কবর জিয়ারত করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছিলেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে