
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কিশোর গ্যাং বন্ধে জেলা প্রশাসক ও কমিশনারদের কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রোববার ( ৩ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।
কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ' কোভিড অতিমারির সময় কিশোর গ্যাং সব থেকে বেশি সামনে এসেছে। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা এলাকাভিত্তিক ছেলে-মেয়ে যারা শিক্ষাগ্রহণ করবে, তারা কেন এ ধরনের গ্যাং হবে এবং অসামাজিক কাজে বা ছিনতাই, খুন, ডাকাতি, এসবে লিপ্ত হবে সেই বিষয়টি নজরদারি করা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, আমাদের কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকরা একেবারে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত যত স্কুল, কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে সেখানে ছেলে-মেয়েরা যায় কি না, তারা কী কী কাজ করছে সেদিকে অভিভাবকদের নজর দেওয়া দরকার। কেউ জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক অথবা এই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে যুক্ত হচ্ছে কি না, সেদিকে একটু নজরদারি বাড়াতে হবে।
তিনি আরো মনে করেন,পরিবারকে একটু সচেতন করতে পারলে এই জিনিসগুলো...শুধু গ্রেপ্তার করে, ধরে লাভ নেই। কারণ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠালে আবার এর থেকে আরও বেশি; যেগুলো গ্যাং থাকে বা যারা বেশি আইন-শৃঙ্খলার ভঙ্গ করল অথবা খুন করে বা কোনো অপরাধ করে অপরাধী, তাদের সঙ্গে মিশে এরা আরও বেশি খারাপ হয়ে যাবে।সেই কারণে গোড়া থেকে আমাদের ধরতে হবে। পরিবার থেকে শুরু করতে হবে বা স্কুল-কলেজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু করতে হবে। ছেলে-মেয়েরা যেন এ ধরনের পথে কখনো যেতে না পারে।’
পার্বত্য চট্টগ্রামে যেন শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি থাকে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, অন্য কোনো দেশের সাহায্য ছাড়া পার্বত্য শান্তি চুক্তি করা হয়েছে। সেখানে যারা অস্ত্রধারী ছিল, এক হাজার ৮০০ অস্ত্রধারী আমার হাতে, প্রকাশ্যে অস্ত্র জমা দিয়েছিল। পৃথিবীর বহু দেশে বহু শান্তি চুক্তি হয়েছে কিন্তু আমাদেরটা ছিল অনন্য ঘটনা। কারণ এ ধরনের ঘটনা খুব কমই ঘটে। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে এখন ব্যাপক উন্নয়নের কাজ চলছে বলেও উল্লেখ করেন দেশের এই সরকারপ্রধান।

কিশোর গ্যাং বন্ধে জেলা প্রশাসক ও কমিশনারদের কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রোববার ( ৩ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।
কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ' কোভিড অতিমারির সময় কিশোর গ্যাং সব থেকে বেশি সামনে এসেছে। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা এলাকাভিত্তিক ছেলে-মেয়ে যারা শিক্ষাগ্রহণ করবে, তারা কেন এ ধরনের গ্যাং হবে এবং অসামাজিক কাজে বা ছিনতাই, খুন, ডাকাতি, এসবে লিপ্ত হবে সেই বিষয়টি নজরদারি করা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, আমাদের কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকরা একেবারে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত যত স্কুল, কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে সেখানে ছেলে-মেয়েরা যায় কি না, তারা কী কী কাজ করছে সেদিকে অভিভাবকদের নজর দেওয়া দরকার। কেউ জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক অথবা এই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে যুক্ত হচ্ছে কি না, সেদিকে একটু নজরদারি বাড়াতে হবে।
তিনি আরো মনে করেন,পরিবারকে একটু সচেতন করতে পারলে এই জিনিসগুলো...শুধু গ্রেপ্তার করে, ধরে লাভ নেই। কারণ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠালে আবার এর থেকে আরও বেশি; যেগুলো গ্যাং থাকে বা যারা বেশি আইন-শৃঙ্খলার ভঙ্গ করল অথবা খুন করে বা কোনো অপরাধ করে অপরাধী, তাদের সঙ্গে মিশে এরা আরও বেশি খারাপ হয়ে যাবে।সেই কারণে গোড়া থেকে আমাদের ধরতে হবে। পরিবার থেকে শুরু করতে হবে বা স্কুল-কলেজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু করতে হবে। ছেলে-মেয়েরা যেন এ ধরনের পথে কখনো যেতে না পারে।’
পার্বত্য চট্টগ্রামে যেন শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি থাকে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, অন্য কোনো দেশের সাহায্য ছাড়া পার্বত্য শান্তি চুক্তি করা হয়েছে। সেখানে যারা অস্ত্রধারী ছিল, এক হাজার ৮০০ অস্ত্রধারী আমার হাতে, প্রকাশ্যে অস্ত্র জমা দিয়েছিল। পৃথিবীর বহু দেশে বহু শান্তি চুক্তি হয়েছে কিন্তু আমাদেরটা ছিল অনন্য ঘটনা। কারণ এ ধরনের ঘটনা খুব কমই ঘটে। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে এখন ব্যাপক উন্নয়নের কাজ চলছে বলেও উল্লেখ করেন দেশের এই সরকারপ্রধান।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজে ঢুকে ভাঙচুর এবং এক নারী শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান
১৮ ঘণ্টা আগে
এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সারজিস আলমসহ অন্য নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
গণসমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সভাপতিত্বে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।
২১ ঘণ্টা আগে
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘গতকাল এবং আজ ক্যাম্পাসগুলোতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অত্যন্ত ধৈর্য ও সহনশীলভাবে মোকাবিলা করেছে। দুটো ঘটনাই গুপ্ত রাজনীতি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম নোংরামির অশ্লীল ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে ঘটেছে।’
১ দিন আগে