
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন গণঅধিকারের সভাপতি নুরুল হক নুর। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর তোপের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আসিফ নজরুলের এ সংক্রান্ত ফেসবুক পোস্টে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হাসনাত। এমনকি উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডকে ‘ভণ্ডামি’ বলেও অভিহিত করেছেন তিনি।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহত হন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীসহ পুলিশ ও সেনাবাহিনী সবাই মিলে বেধড়ক পিঠিয়েছে নুরকে। দলের শতাধিক নেতাকর্মী এ সময় আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শুক্রবার রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন আইন, বিচার ও সংসদ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা আসিফ নজরুল।
তিনি লিখেছেন, ‘ভিপি নুরুল হক নূরের উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
নিজে সরকারে থেকে ব্যবস্থা না নিয়ে নিন্দা জানানোর আসিফ নজরুলের সমালোচনা করেছেন অনেকেই। এর মধ্যে সবচেয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
স্ট্যাটাস দেওয়ার ৮ মিনিট পরে রাত ১১টা ৪ মিনিটে করা কমেন্টে হাসনাত লিখেছেন, ‘প্রতিবাদের কাজ আপনার? ভণ্ডামি বাদ দেন, স্যার। যেই জন্য বসানো হইছে সেটা না করে কী কী করছেন, এসবের হিসাব দিতে হবে।’
হাসনাত আরও লিখেছেন, ‘কে কোথায় কীভাবে কোন কাজে বাধা দিছে, এসব খবর আমাদের কাছে আছে। এসব প্রতিবাদের ভং না ধরে কাজটা করেন।’
হাসনাতের এই কমেন্টে লাইকসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া পড়েছে ৩৩ হাজার। কমেন্ট পড়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার।

জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন গণঅধিকারের সভাপতি নুরুল হক নুর। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর তোপের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আসিফ নজরুলের এ সংক্রান্ত ফেসবুক পোস্টে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হাসনাত। এমনকি উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডকে ‘ভণ্ডামি’ বলেও অভিহিত করেছেন তিনি।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহত হন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীসহ পুলিশ ও সেনাবাহিনী সবাই মিলে বেধড়ক পিঠিয়েছে নুরকে। দলের শতাধিক নেতাকর্মী এ সময় আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শুক্রবার রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন আইন, বিচার ও সংসদ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা আসিফ নজরুল।
তিনি লিখেছেন, ‘ভিপি নুরুল হক নূরের উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
নিজে সরকারে থেকে ব্যবস্থা না নিয়ে নিন্দা জানানোর আসিফ নজরুলের সমালোচনা করেছেন অনেকেই। এর মধ্যে সবচেয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
স্ট্যাটাস দেওয়ার ৮ মিনিট পরে রাত ১১টা ৪ মিনিটে করা কমেন্টে হাসনাত লিখেছেন, ‘প্রতিবাদের কাজ আপনার? ভণ্ডামি বাদ দেন, স্যার। যেই জন্য বসানো হইছে সেটা না করে কী কী করছেন, এসবের হিসাব দিতে হবে।’
হাসনাত আরও লিখেছেন, ‘কে কোথায় কীভাবে কোন কাজে বাধা দিছে, এসব খবর আমাদের কাছে আছে। এসব প্রতিবাদের ভং না ধরে কাজটা করেন।’
হাসনাতের এই কমেন্টে লাইকসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া পড়েছে ৩৩ হাজার। কমেন্ট পড়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৯টায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা
১০ ঘণ্টা আগে
কীভাবে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সামলে নিয়েছিল বিএনপি- এমন এক প্রশ্নের জবাবে দলটির সিনিয়র নেতাদের একজন ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলছেন, "প্রয়াত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটির নীতি ও আদর্শ জন আকাঙ্ক্ষার সাথে মিলে কাজ করেছে, যে কারণে কঠিন পরিস্থিতিতেও দলটির প্রতি জনসমর্থন ছিল দৃশ্যমান। সেটিই বিএনপিকে বৈরি পরিবে
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের সময় ছাত্রলীগ (বর্তমানে নিষিদ্ধ) নেতা গোলাম রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এমফিলের শিক্ষার্থী ছিলেন। সিন্ডিকেট সূত্র জানিয়েছে, ঢাবি কর্তৃপক্ষের গঠন করা তদন্ত কমিটিতে তার সেই ছাত্রত্ব অবৈধ প্রমাণিত হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের ভাষ্য, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত জুলাই সনদ অনুযায়ী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির মাধ্যমেই সংবিধান সংশোধন করতে হবে। আর বিরোধী দল এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিলে তাদের ১০টি স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ দিতে রাজি আছে সরকারি দল।
২ দিন আগে