
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিআরটিএ সম্পর্কিত মোটরযান নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ ইস্যু, রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়নে ঘুষ দেওয়াসহ অন্য বিষয়গুলো নিয়ে উপস্থাপিত প্রতিবেদনকে ‘অনুমাননির্ভর’ বলায় তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
গত ৫ মার্চ টিআইবি ‘ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসায় শুদ্ধাচার’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বিআরটিএ-এর ভূমিকা সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার প্রতিক্রিয়া জানায় টিআইবি।
সংস্থাটি জানায়, বাস্তবতাকে আমলে নিয়ে বিআরটিএ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে সত্যকে অস্বীকার করায় দুর্নীতির প্রতি শূন্য সহশীলতার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ঝুঁকি বিবেচনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে টিআইবি।
টিআইবি জানায়, গবেষণাটি সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার প্রতিষ্ঠিত রীতি অনুসরণ করে ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও এই বিষয়ে অভিজ্ঞ সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি বর্তমান ও সাবেক কর্মীসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, সেবাগ্রহীতা, বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করা হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, গবেষণার জরিপে বাস মালিক, কর্মী-শ্রমিক ও যাত্রীদের কাছ থেকে কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ৬৪ জেলা থেকে ৩২টি জেলা প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়নের মাধ্যমে নির্বাচন করে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
টিআইবি আরো জানায়, জরিপটি পরিসংখ্যান বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ মানদণ্ড ও চর্চা অনুসারে পরিচালিত হয়েছে এবং এটির বৈজ্ঞানিক মান ও পদ্ধতিগত উৎকর্ষ নিশ্চিতের সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া জরিপে প্রাপ্ত তথ্য বাস মালিক, কর্মী-শ্রমিক ও যাত্রীদের অভিজ্ঞতা টিআইবি কেবল বিশ্লেষণ করে উপস্থাপন করেছে। এছাড়াও গবেষণা তথ্যের উৎকর্ষ ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতে সকল সুনির্দিষ্ট তথ্য একাধিক উৎস থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে গবেষণায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
এই গবেষণা প্রতিবেদনে বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট ফলাফলকে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক “বাস্তবতা বর্জিত, কাল্পনিক, অনুমান নির্ভর, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিআরটিএ-এর লিখিত এই বক্তব্যের প্রাসঙ্গিক অংশের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে টিআইবি।
মুখ্য তথ্যদাতাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ প্রসঙ্গে- বিআরটিএ-এর বক্তব্য: ‘গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রত্যক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহের সময় মুখ্য তথ্যদাতা হিসেবে বিআরটিএ এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে যা অসত্য। তাছাড়া বিষয়টি প্রকাশের জন্য এ বিষয়ে বিআরটিএ’কে অবহিত করা হয়নি।’
টিআইবির উত্তর: বিআরটিএ চেয়ারম্যান মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছেন। এই গবেষণার তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গত ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বিআরটিএএর চেয়ারম্যান অথবা তাঁর মনোনীত প্রতিনিধির সাক্ষাৎকার গ্রহণের জন্য টিআইবির নির্বাহী পরিচালক স্বাক্ষরিত একটি চিঠি (সূত্র: টিআইবি/আরএন্ডপি/বাপবশু/২০২৩/২৩৪) বিআরটিএ চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ২৩ অক্টোবর বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য গবেষণা দলকে ডাকলেও তিনি তাঁর কার্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর সাক্ষাৎকারের জন্য তিনি ৫ মিনিট সময় দেন এবং সেই সাক্ষাৎকারে কোনো প্রকার তথ্য প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করেন। এমনকি, বিআরটিএ চেয়ারম্যানের পরিবর্তে অন্য কোনো কর্মকর্তাকে সাক্ষাৎকারের জন্য মনোনীত করার অনুরোধ করলেও তিনি তা প্রত্যাখান করেন। পরে গবেষণা দল থেকে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে টিআইবির গবেষণা দল নিজস্ব সূত্রে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত বিআরটিএ-এর কার্যালয়ের বেশ কয়েকজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে।
সেবা পেতে ঘুষ, দুর্নীতি বা হয়রানির শিকার হওয়া ও সেবা পেতে ৩০ দিন সময় ব্যয় প্রসঙ্গে বিআরটিএ-এর বক্তব্য: ' অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে মোটরযান সরেজমিনে পরিদর্শনপূর্বক একই দিনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদান করা হচ্ছে। সুতরাং এক্ষেত্রে সেবা পেতে ঘুষ, দুর্নীতি বা হয়রানির শিকার হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সেবা পেতে গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখিত গড় ব্যয়িত সময় ৩০ কর্মদিবসের বিষয়টি অসত্য ও কল্পনাপ্রসুত।’
টিআইবির উত্তর: টিআইবি গবেষণায় মোট ১৬৮ জন বাস মালিকের কাছ থেকে একটি কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেছে। যানবাহন নিবন্ধন/রেজিস্ট্রেশনে যে সময়ক্ষেপণ ও অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য বাস মালিকদের ওপর পরিচালিত জরিপ থেকে প্রাপ্ত, এক্ষেত্রে টিআইবি নির্মোহভাবে জরিপে অংশগ্রহণকারী মালিকদের দেওয়া তথ্য তুলে ধরেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিআরটিএ হতে বাসের নিবন্ধন নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি বাসের নিবন্ধন নিতে গড়ে ৩০ কার্যদিবস (সেবা পেতে সরকার নির্ধারিত সময় ১ থেকে ১৪ দিন) সময় লেগেছে এবং ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ বাসের জন্য বাস মালিকরা ঘুষ বা নিয়মবহির্ভূত অর্থ দিয়েছেন বা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এ সকল তথ্যকে অসত্য বা কল্পনা বলে মনে করার বলার কোনো যুক্তি নেই।

বিআরটিএ সম্পর্কিত মোটরযান নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ ইস্যু, রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়নে ঘুষ দেওয়াসহ অন্য বিষয়গুলো নিয়ে উপস্থাপিত প্রতিবেদনকে ‘অনুমাননির্ভর’ বলায় তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
গত ৫ মার্চ টিআইবি ‘ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসায় শুদ্ধাচার’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বিআরটিএ-এর ভূমিকা সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার প্রতিক্রিয়া জানায় টিআইবি।
সংস্থাটি জানায়, বাস্তবতাকে আমলে নিয়ে বিআরটিএ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে সত্যকে অস্বীকার করায় দুর্নীতির প্রতি শূন্য সহশীলতার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ঝুঁকি বিবেচনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে টিআইবি।
টিআইবি জানায়, গবেষণাটি সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার প্রতিষ্ঠিত রীতি অনুসরণ করে ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও এই বিষয়ে অভিজ্ঞ সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি বর্তমান ও সাবেক কর্মীসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, সেবাগ্রহীতা, বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করা হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, গবেষণার জরিপে বাস মালিক, কর্মী-শ্রমিক ও যাত্রীদের কাছ থেকে কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ৬৪ জেলা থেকে ৩২টি জেলা প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়নের মাধ্যমে নির্বাচন করে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
টিআইবি আরো জানায়, জরিপটি পরিসংখ্যান বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ মানদণ্ড ও চর্চা অনুসারে পরিচালিত হয়েছে এবং এটির বৈজ্ঞানিক মান ও পদ্ধতিগত উৎকর্ষ নিশ্চিতের সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া জরিপে প্রাপ্ত তথ্য বাস মালিক, কর্মী-শ্রমিক ও যাত্রীদের অভিজ্ঞতা টিআইবি কেবল বিশ্লেষণ করে উপস্থাপন করেছে। এছাড়াও গবেষণা তথ্যের উৎকর্ষ ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতে সকল সুনির্দিষ্ট তথ্য একাধিক উৎস থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে গবেষণায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
এই গবেষণা প্রতিবেদনে বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট ফলাফলকে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক “বাস্তবতা বর্জিত, কাল্পনিক, অনুমান নির্ভর, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিআরটিএ-এর লিখিত এই বক্তব্যের প্রাসঙ্গিক অংশের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে টিআইবি।
মুখ্য তথ্যদাতাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ প্রসঙ্গে- বিআরটিএ-এর বক্তব্য: ‘গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রত্যক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহের সময় মুখ্য তথ্যদাতা হিসেবে বিআরটিএ এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে যা অসত্য। তাছাড়া বিষয়টি প্রকাশের জন্য এ বিষয়ে বিআরটিএ’কে অবহিত করা হয়নি।’
টিআইবির উত্তর: বিআরটিএ চেয়ারম্যান মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছেন। এই গবেষণার তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গত ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বিআরটিএএর চেয়ারম্যান অথবা তাঁর মনোনীত প্রতিনিধির সাক্ষাৎকার গ্রহণের জন্য টিআইবির নির্বাহী পরিচালক স্বাক্ষরিত একটি চিঠি (সূত্র: টিআইবি/আরএন্ডপি/বাপবশু/২০২৩/২৩৪) বিআরটিএ চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ২৩ অক্টোবর বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য গবেষণা দলকে ডাকলেও তিনি তাঁর কার্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর সাক্ষাৎকারের জন্য তিনি ৫ মিনিট সময় দেন এবং সেই সাক্ষাৎকারে কোনো প্রকার তথ্য প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করেন। এমনকি, বিআরটিএ চেয়ারম্যানের পরিবর্তে অন্য কোনো কর্মকর্তাকে সাক্ষাৎকারের জন্য মনোনীত করার অনুরোধ করলেও তিনি তা প্রত্যাখান করেন। পরে গবেষণা দল থেকে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে টিআইবির গবেষণা দল নিজস্ব সূত্রে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত বিআরটিএ-এর কার্যালয়ের বেশ কয়েকজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে।
সেবা পেতে ঘুষ, দুর্নীতি বা হয়রানির শিকার হওয়া ও সেবা পেতে ৩০ দিন সময় ব্যয় প্রসঙ্গে বিআরটিএ-এর বক্তব্য: ' অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে মোটরযান সরেজমিনে পরিদর্শনপূর্বক একই দিনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদান করা হচ্ছে। সুতরাং এক্ষেত্রে সেবা পেতে ঘুষ, দুর্নীতি বা হয়রানির শিকার হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সেবা পেতে গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখিত গড় ব্যয়িত সময় ৩০ কর্মদিবসের বিষয়টি অসত্য ও কল্পনাপ্রসুত।’
টিআইবির উত্তর: টিআইবি গবেষণায় মোট ১৬৮ জন বাস মালিকের কাছ থেকে একটি কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেছে। যানবাহন নিবন্ধন/রেজিস্ট্রেশনে যে সময়ক্ষেপণ ও অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য বাস মালিকদের ওপর পরিচালিত জরিপ থেকে প্রাপ্ত, এক্ষেত্রে টিআইবি নির্মোহভাবে জরিপে অংশগ্রহণকারী মালিকদের দেওয়া তথ্য তুলে ধরেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিআরটিএ হতে বাসের নিবন্ধন নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি বাসের নিবন্ধন নিতে গড়ে ৩০ কার্যদিবস (সেবা পেতে সরকার নির্ধারিত সময় ১ থেকে ১৪ দিন) সময় লেগেছে এবং ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ বাসের জন্য বাস মালিকরা ঘুষ বা নিয়মবহির্ভূত অর্থ দিয়েছেন বা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এ সকল তথ্যকে অসত্য বা কল্পনা বলে মনে করার বলার কোনো যুক্তি নেই।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজে ঢুকে ভাঙচুর এবং এক নারী শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান
১৫ ঘণ্টা আগে
এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সারজিস আলমসহ অন্য নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
গণসমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সভাপতিত্বে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘গতকাল এবং আজ ক্যাম্পাসগুলোতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অত্যন্ত ধৈর্য ও সহনশীলভাবে মোকাবিলা করেছে। দুটো ঘটনাই গুপ্ত রাজনীতি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম নোংরামির অশ্লীল ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে ঘটেছে।’
১ দিন আগে