
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ডসহ সকল দুর্যোগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। সরকার সার্বিকভাবে চেষ্টা করছে একটা নিরাপদ শহর নাগরিকদের উপহার দিতে।
বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের সদরঘাট শাখায় আয়োজিত জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে ‘ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড’ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি মহড়া অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
ঢাকা শহরের বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের এই শহর খুবই ঘনবসতিপূর্ণ। এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেক বেড়েছে, কিন্তু সেই তুলনায় সেবাদানকারী সংস্থার সক্ষমতা বাড়েনি। তবে সরকার খুবই আন্তরিক। সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে মানুষকে সেবা দিতে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এরকম দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সচেতনতা খুবই জরুরি। কিন্তু আমাদের প্রবণতা হচ্ছে ভুলে যাওয়া। আমরা এসব দুর্ঘটনা না ভুলে সচেতন থাকলে অনেক ক্ষেত্রে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
সচেতনতার কথা উল্লেখ করে সাঈদ খোকন বলেন, এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা যখন ঘটে তখন একটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়। যে মারা যায় সে তো চলেই গেলো, পরিবারের সদস্যদের জীবযাত্রা থেমে যায়। বয়স্ক মা-বাবার চিকিৎসা, সন্তানদের পড়াশোনা সবকিছু ব্যাহত হয়। সুতরাং আমরা সচেতন হলে এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি।
বর্তমান সরকারের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় দেশ উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদের টেকসই উন্নয়নের মধ্যে থাকতে হবে। এই উন্নয়ন ধরে রাখতে হবে এবং তার ফল ভোগ করতে হবে। সে জন্য আমাদের জানমালের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আবদুল ওয়াদুদ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া একই মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি মহড়া উপকমিটির সভাপতি এ বি এম সফিকুল হায়দার, সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) ও তদন্ত কমিটির প্রধান লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এই দিন দুপুর ২টায় মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে ২০০ অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে।

দেশে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ডসহ সকল দুর্যোগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। সরকার সার্বিকভাবে চেষ্টা করছে একটা নিরাপদ শহর নাগরিকদের উপহার দিতে।
বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের সদরঘাট শাখায় আয়োজিত জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে ‘ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড’ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি মহড়া অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
ঢাকা শহরের বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের এই শহর খুবই ঘনবসতিপূর্ণ। এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেক বেড়েছে, কিন্তু সেই তুলনায় সেবাদানকারী সংস্থার সক্ষমতা বাড়েনি। তবে সরকার খুবই আন্তরিক। সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে মানুষকে সেবা দিতে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এরকম দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সচেতনতা খুবই জরুরি। কিন্তু আমাদের প্রবণতা হচ্ছে ভুলে যাওয়া। আমরা এসব দুর্ঘটনা না ভুলে সচেতন থাকলে অনেক ক্ষেত্রে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
সচেতনতার কথা উল্লেখ করে সাঈদ খোকন বলেন, এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা যখন ঘটে তখন একটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়। যে মারা যায় সে তো চলেই গেলো, পরিবারের সদস্যদের জীবযাত্রা থেমে যায়। বয়স্ক মা-বাবার চিকিৎসা, সন্তানদের পড়াশোনা সবকিছু ব্যাহত হয়। সুতরাং আমরা সচেতন হলে এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি।
বর্তমান সরকারের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় দেশ উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদের টেকসই উন্নয়নের মধ্যে থাকতে হবে। এই উন্নয়ন ধরে রাখতে হবে এবং তার ফল ভোগ করতে হবে। সে জন্য আমাদের জানমালের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আবদুল ওয়াদুদ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া একই মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি মহড়া উপকমিটির সভাপতি এ বি এম সফিকুল হায়দার, সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) ও তদন্ত কমিটির প্রধান লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এই দিন দুপুর ২টায় মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে ২০০ অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে