
বাসস

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, কেউ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় যুক্ত হলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাঁকে দুঃশ্চিন্তায় থাকতে হবে না। এই পেনশন ব্যবস্থা অবসরকালীন আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং শেষ বয়সে কারো কাছে হাত পাততে হবে না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল মানুষের কল্যাণের জন্য সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন যা জনকল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর একটি অনন্য উদ্যোগ।
আজ সোমবার সকালে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পেনশন মেলায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা অবসরে গেলে পেনশন পান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মরত এবং দেশের অন্যান্য মানুষ পেনশনের সুবিধা পান না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা বয়স্কদের ঠিকমতো দেখভাল করেন না, অনেকসময় বৃদ্ধাশ্রমে বয়স্কদের রেখে আসেন। শেষ বয়সে অনেকেই একটা ট্যাবলেট কিনতে পারেন না। এক্ষেত্রে পেনশন স্কিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পেনশনে যুক্ত হলে শেষ বয়সে টেনশনে থাকতে হবে না। ছেলেমেয়ে দেখছে না বলেও অভিযোগ করতে হবে না।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে উঠেছে। তাঁর নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যেই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে।
জেলা প্রশাসক উর্মি বিনতে সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গাছ রোপণে এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, পুলিশ সুপার মনজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে জেলার সাতটি উপজেলার ৬৭টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পাঁচ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে একটি করে গাছের চারা উপহার দেয়া হয়।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, কেউ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় যুক্ত হলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাঁকে দুঃশ্চিন্তায় থাকতে হবে না। এই পেনশন ব্যবস্থা অবসরকালীন আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং শেষ বয়সে কারো কাছে হাত পাততে হবে না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল মানুষের কল্যাণের জন্য সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন যা জনকল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর একটি অনন্য উদ্যোগ।
আজ সোমবার সকালে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পেনশন মেলায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা অবসরে গেলে পেনশন পান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মরত এবং দেশের অন্যান্য মানুষ পেনশনের সুবিধা পান না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা বয়স্কদের ঠিকমতো দেখভাল করেন না, অনেকসময় বৃদ্ধাশ্রমে বয়স্কদের রেখে আসেন। শেষ বয়সে অনেকেই একটা ট্যাবলেট কিনতে পারেন না। এক্ষেত্রে পেনশন স্কিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পেনশনে যুক্ত হলে শেষ বয়সে টেনশনে থাকতে হবে না। ছেলেমেয়ে দেখছে না বলেও অভিযোগ করতে হবে না।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে উঠেছে। তাঁর নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যেই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে।
জেলা প্রশাসক উর্মি বিনতে সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গাছ রোপণে এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, পুলিশ সুপার মনজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে জেলার সাতটি উপজেলার ৬৭টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পাঁচ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে একটি করে গাছের চারা উপহার দেয়া হয়।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে