
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানবিক কারণে প্রায় ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আমরা আশ্রয় দিয়েছি। তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে আলোচনা চলছে। আমরা আলোচনার মাধ্যমেই আমরা এই সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সোমবার (৩ মার্চ) সকালে রাজধানীর পিলখানা সদর দপ্তরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারপ্রধান বলেন, বিজিবি সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, নারী-শিশু পাচার রোধসহ বিভিন্ন কাজ অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে করে যাচ্ছে। আমাদের দেশমাতৃকা রক্ষায় সদা জাগ্রত অতন্দ্র প্রহরী হলো বিজিবি।
এ সময় জাতির পিতা বন্দী হওয়ার আগ মুহূর্তে স্বাধীনতার যে ঘোষণা দেন তা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। স্মরণ করেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে নিহতদের।
তিনি বলেন, কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আজকে যারা বিভিন্ন পদকে ভূষিত হয়েছেন আমি তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এভাবেই আপনারা দক্ষতার পরিচয় দেবেন। যেন আমরা এই পদক আরও বেশি বেশি দিতে পারি। শৃঙ্খলা একটি বাহিনীর মূল চালিকাশক্তি। কখনও শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না।
২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখানে এলেই মনটা ভারী হয়ে যায়। ২০০৯ সালে কেবল সরকার গঠন করি। ২৫ ফেব্রুয়ারি ঘটে এক অঘটন। এই বিদ্রোহে ৫৭ অফিসারসহ ৭৪ জন জীবন হারায়। নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। স্বজনদের সহমর্মিতা জানাচ্ছি। স্বজনহারার বেদনা কত কঠিন, সেটা বোধহয় আমার থেকে কেউ বেশি জানে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ বিজিবির কুচকাওয়াজ দেখে আমি আনন্দিত। বিশেষ করে, নারী সদস্যদের ড্রিল দেখে আমি বেশি আনন্দিত। বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য যারা আজ পদক পেলেন আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। জাতির পিতা ‘ঈমানের সঙ্গে কাজ করো, সৎ পথে চলো’ বলে গিয়েছিলেন। তার এ নির্দেশনা আপনারা মেনে চলবেন, আশা করি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশমাতৃকা রক্ষায় সদাজাগ্রত বিজিবি। তারা দেশের অর্থনীতির জন্যও কাজ করে। বিজিবি রোহিঙ্গাদেরও নিরাপত্তা দিচ্ছে। রোহিঙ্গাদের আমরা মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়ায় যাইনি। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করি, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারবো।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় বিজিবি সদর দপ্তরের বীরউত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিজিবি সদস্যদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৭২জন বিজিবি সদস্যকে পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানবিক কারণে প্রায় ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আমরা আশ্রয় দিয়েছি। তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে আলোচনা চলছে। আমরা আলোচনার মাধ্যমেই আমরা এই সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সোমবার (৩ মার্চ) সকালে রাজধানীর পিলখানা সদর দপ্তরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারপ্রধান বলেন, বিজিবি সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, নারী-শিশু পাচার রোধসহ বিভিন্ন কাজ অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে করে যাচ্ছে। আমাদের দেশমাতৃকা রক্ষায় সদা জাগ্রত অতন্দ্র প্রহরী হলো বিজিবি।
এ সময় জাতির পিতা বন্দী হওয়ার আগ মুহূর্তে স্বাধীনতার যে ঘোষণা দেন তা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। স্মরণ করেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে নিহতদের।
তিনি বলেন, কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আজকে যারা বিভিন্ন পদকে ভূষিত হয়েছেন আমি তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এভাবেই আপনারা দক্ষতার পরিচয় দেবেন। যেন আমরা এই পদক আরও বেশি বেশি দিতে পারি। শৃঙ্খলা একটি বাহিনীর মূল চালিকাশক্তি। কখনও শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না।
২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখানে এলেই মনটা ভারী হয়ে যায়। ২০০৯ সালে কেবল সরকার গঠন করি। ২৫ ফেব্রুয়ারি ঘটে এক অঘটন। এই বিদ্রোহে ৫৭ অফিসারসহ ৭৪ জন জীবন হারায়। নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। স্বজনদের সহমর্মিতা জানাচ্ছি। স্বজনহারার বেদনা কত কঠিন, সেটা বোধহয় আমার থেকে কেউ বেশি জানে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ বিজিবির কুচকাওয়াজ দেখে আমি আনন্দিত। বিশেষ করে, নারী সদস্যদের ড্রিল দেখে আমি বেশি আনন্দিত। বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য যারা আজ পদক পেলেন আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। জাতির পিতা ‘ঈমানের সঙ্গে কাজ করো, সৎ পথে চলো’ বলে গিয়েছিলেন। তার এ নির্দেশনা আপনারা মেনে চলবেন, আশা করি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশমাতৃকা রক্ষায় সদাজাগ্রত বিজিবি। তারা দেশের অর্থনীতির জন্যও কাজ করে। বিজিবি রোহিঙ্গাদেরও নিরাপত্তা দিচ্ছে। রোহিঙ্গাদের আমরা মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়ায় যাইনি। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করি, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারবো।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় বিজিবি সদর দপ্তরের বীরউত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিজিবি সদস্যদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৭২জন বিজিবি সদস্যকে পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন সরকারপ্রধান।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজে ঢুকে ভাঙচুর এবং এক নারী শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান
১৮ ঘণ্টা আগে
এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সারজিস আলমসহ অন্য নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
গণসমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সভাপতিত্বে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।
২১ ঘণ্টা আগে
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘গতকাল এবং আজ ক্যাম্পাসগুলোতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অত্যন্ত ধৈর্য ও সহনশীলভাবে মোকাবিলা করেছে। দুটো ঘটনাই গুপ্ত রাজনীতি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম নোংরামির অশ্লীল ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে ঘটেছে।’
১ দিন আগে