
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ন্যূনতম মাসিক বেতন ১৫০০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি চাকুরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ পুনর্বন্টন করেছে সরকার। সে অনুযায়ী, যৌথ বাহিনী (জয়েন্ট সার্ভিস ইনস্ট্রাকশনের আওতাভুক্ত), জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত সরকারি-বেসামরিক, স্বশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও পুলিশ বাহিনীতে নিয়োজিত কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধা ন্যূনতম মাসিক এক হাজার টাকার পরিবর্তে ১৫০০ টাকা হবে। পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম মাসিক ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৭৫০ টাকা হবে এই বিশেষ সুবিধার পরিমাণ।
সরকারের দেওয়া এই বিশেষ সুবিধা আগামী জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
সোমবার (২৩ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। পৃথক প্রজ্ঞাপনে সামরিক ও বেসামরিক খাতের রাজস্বভুক্ত কর্মচারীদের জন্য ঘোষিত এই ‘বিশেষ সুবিধা’য় কাদের কত টাকা বাড়বে তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে রোববার উপদেষ্টা পরিষদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদনের পর সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ সুবিধা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পেনশনগ্রহণকারী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে যারা মাসিক ১৭ হাজার ৩৮৯ টাকা হারে পাচ্ছিলেন তাদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে এবং যারা এর নিচে পাচ্ছিলেন তাদের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
আরেক প্রজ্ঞাপনের বলা হয়েছে, যৌথ বাহিনীর ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট অফিসার সমমূল্য থেকে ওপরের দিকে এবং ধর্মীয় পরামর্শদানকারী কর্মকর্তারা মূল বেতনের ১০ শতাংশ হারে এবং সার্জেন্ট সমতূল্য থেকে নিচের দিকের কর্মচারীরা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা প্রাপ্য হবেন। তবে সেটা ১৫০০ টাকার কম হবে না।
জুডিশিয়াল সার্ভিসে কর্মরত ও পেনশন ভোগরতরা মূল বেতনের ১০ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি মাদ্রাসা ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মরতারা জাতীয় বেতন স্কেলের সমমানের গ্রেড-৯ থেকে ওপরের দিকে মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং গ্রেড ১০ থেকে নিচের দিকে মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা পাবেন।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা দেওয়া নিয়ে আলোচনা থাকার মধ্যে ২ জুন প্রস্তাবিত বাজেটে তাদের জন্য বিশেষ সুবিধার পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। পরদিন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। এখন সেই বিশেষ সুবিধা পুনর্বণ্টন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

ন্যূনতম মাসিক বেতন ১৫০০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি চাকুরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ পুনর্বন্টন করেছে সরকার। সে অনুযায়ী, যৌথ বাহিনী (জয়েন্ট সার্ভিস ইনস্ট্রাকশনের আওতাভুক্ত), জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত সরকারি-বেসামরিক, স্বশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও পুলিশ বাহিনীতে নিয়োজিত কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধা ন্যূনতম মাসিক এক হাজার টাকার পরিবর্তে ১৫০০ টাকা হবে। পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম মাসিক ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৭৫০ টাকা হবে এই বিশেষ সুবিধার পরিমাণ।
সরকারের দেওয়া এই বিশেষ সুবিধা আগামী জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
সোমবার (২৩ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। পৃথক প্রজ্ঞাপনে সামরিক ও বেসামরিক খাতের রাজস্বভুক্ত কর্মচারীদের জন্য ঘোষিত এই ‘বিশেষ সুবিধা’য় কাদের কত টাকা বাড়বে তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে রোববার উপদেষ্টা পরিষদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদনের পর সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ সুবিধা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পেনশনগ্রহণকারী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে যারা মাসিক ১৭ হাজার ৩৮৯ টাকা হারে পাচ্ছিলেন তাদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে এবং যারা এর নিচে পাচ্ছিলেন তাদের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
আরেক প্রজ্ঞাপনের বলা হয়েছে, যৌথ বাহিনীর ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট অফিসার সমমূল্য থেকে ওপরের দিকে এবং ধর্মীয় পরামর্শদানকারী কর্মকর্তারা মূল বেতনের ১০ শতাংশ হারে এবং সার্জেন্ট সমতূল্য থেকে নিচের দিকের কর্মচারীরা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা প্রাপ্য হবেন। তবে সেটা ১৫০০ টাকার কম হবে না।
জুডিশিয়াল সার্ভিসে কর্মরত ও পেনশন ভোগরতরা মূল বেতনের ১০ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি মাদ্রাসা ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মরতারা জাতীয় বেতন স্কেলের সমমানের গ্রেড-৯ থেকে ওপরের দিকে মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং গ্রেড ১০ থেকে নিচের দিকে মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা পাবেন।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা দেওয়া নিয়ে আলোচনা থাকার মধ্যে ২ জুন প্রস্তাবিত বাজেটে তাদের জন্য বিশেষ সুবিধার পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। পরদিন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। এখন সেই বিশেষ সুবিধা পুনর্বণ্টন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেছেন, ‘আজকে জামায়াতের আমিরের বক্তব্য শুনে মনে হলো আমি গতকাল ঠিকই বলেছিলাম, জামায়াতে ইসলামী একটা অমানুষের দল!’
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন সংসদ থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়বে।
২ দিন আগে
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, আমাদের বিচারব্যবস্থার প্রধান সমস্যা রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপ। উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে বলে অনেক সময় বিচারের ক্ষেত্রে বিচারকেরা মনস্তাত্ত্বিক সংকটে ভোগেন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে উপযুক্ত বিচ
৩ দিন আগে
এ সময় জামায়াত আমির বলেন, ভালো কাজ সরকারি দল, বিরোধী দল একসঙ্গে করলে দেশের উন্নয়ন হবে। জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে। আমরা সেই আস্থা তৈরিতে কাজ করতে চাই। আমরা শুধু বিরোধীদল হিসেবে কাগজে কলমে কিংবা সংসদে থাকতে চাই না। আমরা জনগণের কথা বলতে চাই।
৩ দিন আগে