
বাসস

অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন। রোববার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ‘সাপোর্ট টু সাস্টেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন’ প্রকল্প আয়োজিত ‘এলডিসি উত্তোরণের প্রেক্ষিতে এসডিজি অর্জনে অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বের লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠা। শেখ হাসিনার রুপান্তরকারী নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল এবং এসডিজি অর্জনে সরকার সঠিক পথে রয়েছে। এসডিজি অর্জনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যক্ষ করের পরিমাণ বাড়াতে হবে। কর অব্যহতির হার কমাতে হবে। কর আয় ও কর অব্যহতির পরিমান প্রায় সমান, যা বিশ্বের কোন দেশে নেই। কর আদায়ে অেেটামেশনের বিকল্প নেই। যারা ডিজিটালাইজেশনে বাধা দিচ্ছেন, প্রয়োজনে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর সহায়তা দিয়ে বিশ্ব বাজারে টিকে থাকা যাবে না। রপ্তানি বহুমূখীকরণের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বাড়াতে হবে। এলডিসি উত্তোরণের পর শুল্ক রাজস্ব আয় কমে যাবে ।
ইআরডি সচিব মো. শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল আলোচক ছিলেন অতিরিক্ত সচিব (এসডিজি অ্যাফেয়ার্স, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। এলডিসি গ্রাজুয়েশন ও এসডিজি অর্জন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত সচিব ড. রিয়াজুল বাশার সিদ্দিক। কর্মশালার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা অংশগ্রহণ করে।

অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন। রোববার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ‘সাপোর্ট টু সাস্টেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন’ প্রকল্প আয়োজিত ‘এলডিসি উত্তোরণের প্রেক্ষিতে এসডিজি অর্জনে অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বের লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠা। শেখ হাসিনার রুপান্তরকারী নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল এবং এসডিজি অর্জনে সরকার সঠিক পথে রয়েছে। এসডিজি অর্জনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যক্ষ করের পরিমাণ বাড়াতে হবে। কর অব্যহতির হার কমাতে হবে। কর আয় ও কর অব্যহতির পরিমান প্রায় সমান, যা বিশ্বের কোন দেশে নেই। কর আদায়ে অেেটামেশনের বিকল্প নেই। যারা ডিজিটালাইজেশনে বাধা দিচ্ছেন, প্রয়োজনে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর সহায়তা দিয়ে বিশ্ব বাজারে টিকে থাকা যাবে না। রপ্তানি বহুমূখীকরণের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বাড়াতে হবে। এলডিসি উত্তোরণের পর শুল্ক রাজস্ব আয় কমে যাবে ।
ইআরডি সচিব মো. শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল আলোচক ছিলেন অতিরিক্ত সচিব (এসডিজি অ্যাফেয়ার্স, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। এলডিসি গ্রাজুয়েশন ও এসডিজি অর্জন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত সচিব ড. রিয়াজুল বাশার সিদ্দিক। কর্মশালার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা এবং উন্নয়ন সহযোগীরা অংশগ্রহণ করে।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৬ দিন আগে