
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ জমা পড়েছে প্রধান উপদেষ্টার কাছে। অন্যান্য সংস্কার কমিশনসহ এই কমিশনের সুপারিশ নিয়ে এরই মধ্যে ঐকমত্য কমিশন এক দফা আলোচনা করেছে রাজনৈতিক দলসহ নানা অংশীজনের সঙ্গে। তবে সংস্কারের সুপারিশ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে নতুন দলগুলোকে নিবন্ধন দিতে গণবিজ্ঞপ্তি জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলোর মধ্যে কী কী বাস্তবায়ন হবে, সে সিদ্ধান্তের আগেই ইসি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের এই প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানা গেছে, সোমবার (১০ মার্চ) নতুন দলগুলোর কাছে থেকে নিবন্ধন আবেদন আহ্বানের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে ইসি। যেসব রাজনৈতিক দল এখনো ইসিতে নিবন্ধিত নয়, তারা আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে— এমন সময়সীমা রাখা হবে গণবিজ্ঞপ্তিতে।
এর আগে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে ওই সময়কার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামছুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। ওই ইসি ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল।
পরে ২০১৩ সালে তিনটি ও ২০১৯ সালে দুটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০২৩ সালে নিবন্ধন দেওয়া হয় আরও আরও পাঁচটি রাজনৈতিক দলকে।
সব মিলিয়ে ওই সময় পর্যন্ত নিবন্ধন দেওয়া রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ছিল ৪৯। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে জামায়াতে ইসলামীসহ পাঁচটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। ফলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পর্যন্ত দেশে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ছিল ৪৪টি।
গত বছরের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আগস্টেই আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি); সেপ্টেম্বরে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), নাগরিক ঐক্য ও গণসংহতি আন্দোলন; এবং এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টিকে নিবন্ধন দিয়েছে ইসি। ফলে বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত মোট রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪৯টি।

নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ জমা পড়েছে প্রধান উপদেষ্টার কাছে। অন্যান্য সংস্কার কমিশনসহ এই কমিশনের সুপারিশ নিয়ে এরই মধ্যে ঐকমত্য কমিশন এক দফা আলোচনা করেছে রাজনৈতিক দলসহ নানা অংশীজনের সঙ্গে। তবে সংস্কারের সুপারিশ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে নতুন দলগুলোকে নিবন্ধন দিতে গণবিজ্ঞপ্তি জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলোর মধ্যে কী কী বাস্তবায়ন হবে, সে সিদ্ধান্তের আগেই ইসি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের এই প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানা গেছে, সোমবার (১০ মার্চ) নতুন দলগুলোর কাছে থেকে নিবন্ধন আবেদন আহ্বানের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে ইসি। যেসব রাজনৈতিক দল এখনো ইসিতে নিবন্ধিত নয়, তারা আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে— এমন সময়সীমা রাখা হবে গণবিজ্ঞপ্তিতে।
এর আগে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে ওই সময়কার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামছুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। ওই ইসি ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল।
পরে ২০১৩ সালে তিনটি ও ২০১৯ সালে দুটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০২৩ সালে নিবন্ধন দেওয়া হয় আরও আরও পাঁচটি রাজনৈতিক দলকে।
সব মিলিয়ে ওই সময় পর্যন্ত নিবন্ধন দেওয়া রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ছিল ৪৯। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে জামায়াতে ইসলামীসহ পাঁচটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। ফলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পর্যন্ত দেশে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ছিল ৪৪টি।
গত বছরের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আগস্টেই আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি); সেপ্টেম্বরে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), নাগরিক ঐক্য ও গণসংহতি আন্দোলন; এবং এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টিকে নিবন্ধন দিয়েছে ইসি। ফলে বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত মোট রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪৯টি।

ছোট রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গিয়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দেওয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
১৬ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১৬ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
১৮ ঘণ্টা আগে