
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, অ্যাডভোকেট সাইফুলের খুনিদের বিচার নিশ্চিত করবে সরকার। এই হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় এনে সর্ব্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। সেটা হোক ব্যক্তি, সংগঠন কিংবা গোষ্ঠী। তদন্ত চলছে, ফুটেজ আছে। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
শুক্রবার (২৯নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সাইফুল ইসলামের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, গুজব একটা মারাত্বক জিনিস। আমাদের গুজব থেকে দূরে থাকতে হবে। অভ্যন্তরীণ শান্তি, শৃঙ্খলা, সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে দেশে-বিদেশে একটি গোষ্ঠী তৎপরতা চালাচ্ছে। আমি দেশবাসীকে অনুরোধ করবো, ঘটনার পর থেকে অদ্যবধি আপনারা যে ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছেন, আগামীতেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছে। এরপর সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণের মাধ্যমে কাজ শেষ করবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, অ্যাডভোকেট আলিফ হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো উসকানিমূলক ঘটনা না ঘটে, সেদিকে সবার সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিটি বিপদ মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়। চিন্ময়ের মুক্তির দাবিতে পুলিশের সঙ্গে ইসকন ভক্তদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় চট্টগ্রাম আদালত ভবনের প্রবেশমুখে রঙ্গম কনভেনশন হলের পেছনে জবাই করে হত্যা করা হয়ে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে।

অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, অ্যাডভোকেট সাইফুলের খুনিদের বিচার নিশ্চিত করবে সরকার। এই হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় এনে সর্ব্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। সেটা হোক ব্যক্তি, সংগঠন কিংবা গোষ্ঠী। তদন্ত চলছে, ফুটেজ আছে। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
শুক্রবার (২৯নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সাইফুল ইসলামের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, গুজব একটা মারাত্বক জিনিস। আমাদের গুজব থেকে দূরে থাকতে হবে। অভ্যন্তরীণ শান্তি, শৃঙ্খলা, সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে দেশে-বিদেশে একটি গোষ্ঠী তৎপরতা চালাচ্ছে। আমি দেশবাসীকে অনুরোধ করবো, ঘটনার পর থেকে অদ্যবধি আপনারা যে ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছেন, আগামীতেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছে। এরপর সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণের মাধ্যমে কাজ শেষ করবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, অ্যাডভোকেট আলিফ হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো উসকানিমূলক ঘটনা না ঘটে, সেদিকে সবার সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিটি বিপদ মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়। চিন্ময়ের মুক্তির দাবিতে পুলিশের সঙ্গে ইসকন ভক্তদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় চট্টগ্রাম আদালত ভবনের প্রবেশমুখে রঙ্গম কনভেনশন হলের পেছনে জবাই করে হত্যা করা হয়ে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে