
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, আমার ছেলের আসন যদি কেড়ে নেয়া হয়, তাহলে আমি কি নির্বাচনে যেতে পারি? নিশ্চয় না। তারপরও আমি সব কিছু মেনে নিতে পারতাম- যদি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ভরাডুবি না হতো। জাতীয় পার্টিকে ধ্বংসের শেষ সীমানায় পৌছে দেয়া হয়েছে। এটা আমি কীভাবে মেনে নেব?
শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইস্টিটিউশন মিলনায়তনে বর্ধিতসভায় এসব কথা বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, সাংবিধানিকভাবে দেশে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অশনি সংকেত শোনা যাচ্ছে। সরকার যদি তা মোকাবেলা করতে না পারে- তাহলে দেশে বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ সময় আসছে পবিত্র মাহে রমজানের কথা উল্লেখ করে রওশন এরশাদ বলেন, দ্রব্যমূল্য এখনই সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। আর রমজানকে সামনে রেখে অসাধু ব্যবসায়ীরা ওঁৎ পেতে বসে আছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান কাজ হবে- দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্য়ায়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া।
তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভেজাল বিরোধী অভিযান জোরদার করতে হবে। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে হবে। বেকার সমস্যা সমাধানের দিকে প্রাধান্য দিতে হবে। যুবকরা কাজের সন্ধানে অবৈধ পথে বিদেশে পাড়ি দিতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারাচ্ছে-এটা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন জাপা চেয়ারম্যান।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে রওশন এরশাদ বলেন, পল্লীবন্ধুর নীতি-আদর্শ, তার চেতনা-প্রেরণা, তার ভাবমুর্তি হচ্ছে জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব। সেই অস্তিত্বকে যারা মূছে দিতে চায়-তারা জাতীয় পার্টির পরিচয় দেয়ার অধিকার রাখে না।
এ সময় তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এবারের নির্বাচনী ইশতেহারের মলাট থেকে পল্লীবন্ধুর ছবি মুছে ফেলা হয়েছে। জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠার পর এবার নির্বাচনে পার্টির প্রার্থীদের পোষ্টারে পল্লীবন্ধুর ছবি ব্যবহার করতে দেয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তাঁর নির্বাচনী পোষ্টারে বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখেছেন। অথচ জাতীর পার্টির সাবেক চেয়ারম্যানের পোষ্টারে পল্লীবন্ধুর ছবি জায়গা পায়নি। এটা জাতীয় পার্টির অগনিত নেতা-কর্মীর মনে আঘাত দিয়েছে, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তারা ভোট কেন্দ্রে যাবার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের গেলো নির্বাচনে কেনো তিনি অংশ নেননি তার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রওশন এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টির নিবেদিত প্রাণ অনেক নেতা-যাদের ভোটে জয়লাভের সম্ভাবনা ছিল-এমন সব প্রার্থীদের যদি মনোনয়ন দেয়া হয়নি। এসব জনপ্রিয় ও যোগ্য নেতা এবং অভিভাবকহীন অসংখ্য নেতাকর্মী ও প্রার্থীদের বিপদে রেখে আমি নির্বাচনে যেতে পারি না।
জাপার সাবেক এই প্রধান পৃষ্ঠপোষক বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে পার্টিকে উদ্ধারের জন্য আপনারাই প্রথমে উদ্যোগ নিয়েছেন। দলের অগনিত নেতা-কর্মীদের একান্ত দাবির মুখে আমি জাতীয় পার্টির চেয়াম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি। আজ আপনারা আমার দায়িত্ব গ্রহণকে অনুমোদন দিয়েছেন। আপনারাই জাতীয় পার্টির সকল ক্ষমতার উৎস। আপনারা যেভাবে চাইবেন-পার্টি সেভাবেই পরিচালিত হবে।
জাতীয় পার্টিতে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক চর্চা হবে উল্লেখ করে রওশন এরশাদ বলেন, তার জন্য আগামী ৯ মার্চ জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হতে পারে। কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো বিভ্রান্তিতে আপনারা কান দেবেন না।
তিনি বলেন, ৯ মার্চের সম্মেলন সফল করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনের জন্য রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বরাদ্দ নেয়া হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া গেছে। আপনারা সকাল দশটার মধ্যে প্রত্যেক কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটদের নিয়ে সম্মেলন স্থানে উপস্থিত হবেন। ওই দিন আপনারাই জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচিত করবেন বলে মন্তব্য করেন রওশন এরশাদ।
জাপা চেয়ারম্যান বলেন, আজ আমার হৃদয় কানায় কানায় ভরে গেছে। আপনারা আমার ডাকে সারা দিয়ে সকল জেলা থেকে অল্প সময়ের মধ্যে এই বর্ধিত সভায় এসে যোগ দিয়েছেন। আপনারা প্রমাণ করেছেন পল্লীবন্ধু এরশাদের জাতীয় পার্টি হারিয়ে যায়নি, হারিয়ে যাবে না। আপনারা পার্টিকে আবার সুসংগঠিত করে পল্লীবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবেন।
রওশন এরশাদ বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ স্বপ্ন দেখেছেন নতুন বাংলাদেশ গড়ার। তিনি স্বপ্ন দেখেছেন এ দেশে প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের। তিনি চেয়েছিলেন, নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার করার। তিনি চেয়েছিলেন, পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে। তিনি চেয়েছিলেন, ৬৮ হাজার গ্রামকে বাঁচিয়ে গোটা বাংলাদেশকে বাঁচাতে। আপনারা কি পল্লীবন্ধুর সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে পারবেন?
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ বলেন, আপনাদের একটি কথা বলতে চাই- আজ আপনাদের পেয়ে আমার মনোবল দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। যতদিন বেঁচে আছি আপনাদের মাঝেই বেঁচে থাকতে চাই। পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের সংগ্রামই হবে আমাদের সকলের পথ ও পাথেয়। আপনারা ভালো থাকুন। ৯ মার্চ জাতীয় সম্মেলন সফল করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, আমার ছেলের আসন যদি কেড়ে নেয়া হয়, তাহলে আমি কি নির্বাচনে যেতে পারি? নিশ্চয় না। তারপরও আমি সব কিছু মেনে নিতে পারতাম- যদি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ভরাডুবি না হতো। জাতীয় পার্টিকে ধ্বংসের শেষ সীমানায় পৌছে দেয়া হয়েছে। এটা আমি কীভাবে মেনে নেব?
শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইস্টিটিউশন মিলনায়তনে বর্ধিতসভায় এসব কথা বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, সাংবিধানিকভাবে দেশে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অশনি সংকেত শোনা যাচ্ছে। সরকার যদি তা মোকাবেলা করতে না পারে- তাহলে দেশে বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ সময় আসছে পবিত্র মাহে রমজানের কথা উল্লেখ করে রওশন এরশাদ বলেন, দ্রব্যমূল্য এখনই সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। আর রমজানকে সামনে রেখে অসাধু ব্যবসায়ীরা ওঁৎ পেতে বসে আছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান কাজ হবে- দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্য়ায়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া।
তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভেজাল বিরোধী অভিযান জোরদার করতে হবে। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে হবে। বেকার সমস্যা সমাধানের দিকে প্রাধান্য দিতে হবে। যুবকরা কাজের সন্ধানে অবৈধ পথে বিদেশে পাড়ি দিতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারাচ্ছে-এটা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন জাপা চেয়ারম্যান।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে রওশন এরশাদ বলেন, পল্লীবন্ধুর নীতি-আদর্শ, তার চেতনা-প্রেরণা, তার ভাবমুর্তি হচ্ছে জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব। সেই অস্তিত্বকে যারা মূছে দিতে চায়-তারা জাতীয় পার্টির পরিচয় দেয়ার অধিকার রাখে না।
এ সময় তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এবারের নির্বাচনী ইশতেহারের মলাট থেকে পল্লীবন্ধুর ছবি মুছে ফেলা হয়েছে। জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠার পর এবার নির্বাচনে পার্টির প্রার্থীদের পোষ্টারে পল্লীবন্ধুর ছবি ব্যবহার করতে দেয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তাঁর নির্বাচনী পোষ্টারে বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখেছেন। অথচ জাতীর পার্টির সাবেক চেয়ারম্যানের পোষ্টারে পল্লীবন্ধুর ছবি জায়গা পায়নি। এটা জাতীয় পার্টির অগনিত নেতা-কর্মীর মনে আঘাত দিয়েছে, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তারা ভোট কেন্দ্রে যাবার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের গেলো নির্বাচনে কেনো তিনি অংশ নেননি তার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রওশন এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টির নিবেদিত প্রাণ অনেক নেতা-যাদের ভোটে জয়লাভের সম্ভাবনা ছিল-এমন সব প্রার্থীদের যদি মনোনয়ন দেয়া হয়নি। এসব জনপ্রিয় ও যোগ্য নেতা এবং অভিভাবকহীন অসংখ্য নেতাকর্মী ও প্রার্থীদের বিপদে রেখে আমি নির্বাচনে যেতে পারি না।
জাপার সাবেক এই প্রধান পৃষ্ঠপোষক বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে পার্টিকে উদ্ধারের জন্য আপনারাই প্রথমে উদ্যোগ নিয়েছেন। দলের অগনিত নেতা-কর্মীদের একান্ত দাবির মুখে আমি জাতীয় পার্টির চেয়াম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি। আজ আপনারা আমার দায়িত্ব গ্রহণকে অনুমোদন দিয়েছেন। আপনারাই জাতীয় পার্টির সকল ক্ষমতার উৎস। আপনারা যেভাবে চাইবেন-পার্টি সেভাবেই পরিচালিত হবে।
জাতীয় পার্টিতে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক চর্চা হবে উল্লেখ করে রওশন এরশাদ বলেন, তার জন্য আগামী ৯ মার্চ জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হতে পারে। কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো বিভ্রান্তিতে আপনারা কান দেবেন না।
তিনি বলেন, ৯ মার্চের সম্মেলন সফল করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনের জন্য রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বরাদ্দ নেয়া হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া গেছে। আপনারা সকাল দশটার মধ্যে প্রত্যেক কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটদের নিয়ে সম্মেলন স্থানে উপস্থিত হবেন। ওই দিন আপনারাই জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচিত করবেন বলে মন্তব্য করেন রওশন এরশাদ।
জাপা চেয়ারম্যান বলেন, আজ আমার হৃদয় কানায় কানায় ভরে গেছে। আপনারা আমার ডাকে সারা দিয়ে সকল জেলা থেকে অল্প সময়ের মধ্যে এই বর্ধিত সভায় এসে যোগ দিয়েছেন। আপনারা প্রমাণ করেছেন পল্লীবন্ধু এরশাদের জাতীয় পার্টি হারিয়ে যায়নি, হারিয়ে যাবে না। আপনারা পার্টিকে আবার সুসংগঠিত করে পল্লীবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবেন।
রওশন এরশাদ বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ স্বপ্ন দেখেছেন নতুন বাংলাদেশ গড়ার। তিনি স্বপ্ন দেখেছেন এ দেশে প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের। তিনি চেয়েছিলেন, নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার করার। তিনি চেয়েছিলেন, পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে। তিনি চেয়েছিলেন, ৬৮ হাজার গ্রামকে বাঁচিয়ে গোটা বাংলাদেশকে বাঁচাতে। আপনারা কি পল্লীবন্ধুর সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে পারবেন?
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ বলেন, আপনাদের একটি কথা বলতে চাই- আজ আপনাদের পেয়ে আমার মনোবল দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। যতদিন বেঁচে আছি আপনাদের মাঝেই বেঁচে থাকতে চাই। পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের সংগ্রামই হবে আমাদের সকলের পথ ও পাথেয়। আপনারা ভালো থাকুন। ৯ মার্চ জাতীয় সম্মেলন সফল করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে