
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাদের বলেছেন, সেদিন রাস্তায় যে লোকদের আমি দেখেছি, তারা জীবিত কী মৃত আমি বলতে পারব না। হাসিনা কী করে বলে মানুষ মারা যায়নি! আমি সোনালী ব্যাংকের ওপর আশ্রয় নিয়েছিলাম। কেন সেদিন বিদ্যুৎ বন্ধ করা হলো, কেন মিডিয়া বন্ধ করা হলো। কেউ মারা না গেলে এগুলো কেন করা হলো? হেফাজতের গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত আমরা চাই।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের ডিআইটি এলাকায় ফিলিস্তিন ও লেবাননে ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদের আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
মাওলানা আব্দুল কাদের বলেন, শাপলা চত্বরের গণহত্যার পর হাসিনা সরকার সংসদে বলেছিল শাপলা চত্বরে কেউ মারা যায়নি। হেফাজতিরা নাকি রং মেখে শুয়েছিল। কত বড় গাদ্দার আর মিথ্যাবাদী! আমি রাত আড়াইটা পর্যন্ত সেই মঞ্চে উপস্থিত ছিলাম। আল্লামা জোনায়েদ বাবুনগরীসহ অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আমি সর্বপ্রথম মঞ্চ থেকে নামি।
তিনি বলেন, ইহুদিদের সম্পর্কে আল্লাহ কোরআনে বলেছেন, তারা সাধারণ বর্বর জাতি নয়। তারা হজরত জাকারিয়া (আ.), হজরত ইয়াহিয়া (আ.) কে হত্যা করেছে। ইহুদিরা নবী রাসুলদের হত্যা করেছে এমন বর্বর ও অভিশপ্ত জাতি তারা। চতুর্দিক থেকে মুসলমান রাষ্ট্রগুলো থুতু নিক্ষেপ করলে তারা ভেসে যাবে। তবে আমার প্রশ্ন, এই গুটিকয়েক ইসরায়েলের এত জোর কোথায়? এদের সবচেয়ে বড় খুঁটি হলো বিশ্ব খল খুনি আমেরিকা। জাতিসংঘ তো জাতিসংঘ নয়। এটা ইহুদি সংঘ। এরা সবসময় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে।
ইসলামী ঐক্যজোটের এ নেতা আরও বলেন, আমাদের আরব রাষ্ট্র রাজতন্ত্র নিয়ে ব্যস্ত। জেনে রাখুন, আমেরিকা আফগানিস্তান, ইরাক ও ফিলিস্তিনকে ধ্বংস করেছে। আপনারা চিন্তা করুন, আপনাদের রাজতন্ত্রও থাকবে না। রাষ্ট্র যদি টিকিয়ে রাখতে চান, সময় থাকতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন। সবকিছু বন্ধ করে দেন।
তিনি আরও বলেন, আপনারা ভেবেছেন আমেরিকার সাথে মিলে রাজতন্ত্র কায়েম রাখবেন। সেটা হবে না। বহু রাষ্ট্র তারা ধ্বংস করেছে। আপনাদের সময়ও আসছে।

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাদের বলেছেন, সেদিন রাস্তায় যে লোকদের আমি দেখেছি, তারা জীবিত কী মৃত আমি বলতে পারব না। হাসিনা কী করে বলে মানুষ মারা যায়নি! আমি সোনালী ব্যাংকের ওপর আশ্রয় নিয়েছিলাম। কেন সেদিন বিদ্যুৎ বন্ধ করা হলো, কেন মিডিয়া বন্ধ করা হলো। কেউ মারা না গেলে এগুলো কেন করা হলো? হেফাজতের গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত আমরা চাই।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের ডিআইটি এলাকায় ফিলিস্তিন ও লেবাননে ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদের আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
মাওলানা আব্দুল কাদের বলেন, শাপলা চত্বরের গণহত্যার পর হাসিনা সরকার সংসদে বলেছিল শাপলা চত্বরে কেউ মারা যায়নি। হেফাজতিরা নাকি রং মেখে শুয়েছিল। কত বড় গাদ্দার আর মিথ্যাবাদী! আমি রাত আড়াইটা পর্যন্ত সেই মঞ্চে উপস্থিত ছিলাম। আল্লামা জোনায়েদ বাবুনগরীসহ অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আমি সর্বপ্রথম মঞ্চ থেকে নামি।
তিনি বলেন, ইহুদিদের সম্পর্কে আল্লাহ কোরআনে বলেছেন, তারা সাধারণ বর্বর জাতি নয়। তারা হজরত জাকারিয়া (আ.), হজরত ইয়াহিয়া (আ.) কে হত্যা করেছে। ইহুদিরা নবী রাসুলদের হত্যা করেছে এমন বর্বর ও অভিশপ্ত জাতি তারা। চতুর্দিক থেকে মুসলমান রাষ্ট্রগুলো থুতু নিক্ষেপ করলে তারা ভেসে যাবে। তবে আমার প্রশ্ন, এই গুটিকয়েক ইসরায়েলের এত জোর কোথায়? এদের সবচেয়ে বড় খুঁটি হলো বিশ্ব খল খুনি আমেরিকা। জাতিসংঘ তো জাতিসংঘ নয়। এটা ইহুদি সংঘ। এরা সবসময় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে।
ইসলামী ঐক্যজোটের এ নেতা আরও বলেন, আমাদের আরব রাষ্ট্র রাজতন্ত্র নিয়ে ব্যস্ত। জেনে রাখুন, আমেরিকা আফগানিস্তান, ইরাক ও ফিলিস্তিনকে ধ্বংস করেছে। আপনারা চিন্তা করুন, আপনাদের রাজতন্ত্রও থাকবে না। রাষ্ট্র যদি টিকিয়ে রাখতে চান, সময় থাকতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন। সবকিছু বন্ধ করে দেন।
তিনি আরও বলেন, আপনারা ভেবেছেন আমেরিকার সাথে মিলে রাজতন্ত্র কায়েম রাখবেন। সেটা হবে না। বহু রাষ্ট্র তারা ধ্বংস করেছে। আপনাদের সময়ও আসছে।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে