
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে পারলে ফ্যাসিবাদ থেকে পরিপূর্ণভাবে মুক্তি মিলবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১ আগস্ট) জুলাই শহীদদের স্মরণে রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে বিএনপির সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের শাসনামলের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভয়ংকর একটা ফ্যাসিবাদ থেকে আমরা আপাতত মুক্তি পেয়েছি। এই মুক্তি তখনই চূড়ান্ত হবে, যখন আমরা তাদের রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করতে পারব। আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা এ দেশকে ধ্বংস করেছে, তাদের প্রতি ঘৃণা তৈরি করুন। তারা যেন আর কোনোদিন ফিরে আসতে না পারে, ফিরে এসে যাতে আমাদের ছেলেদের হত্যা করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।’
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও সরকার পুরোপুরি সেটা করতে পারেনি, তবে উদ্যোগ নিয়েছে—এজন্যও ধন্যবাদ জানাই।’
ফখরুল বলেন, ‘মানুষ এখন আর স্লোগান দেখতে চায় না, মানুষ দেখতে চায় সঠিক কাজটা হচ্ছে কি না। বাংলাদেশের ভালোর জন্য কাজ করছে কি না।’
গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা এমন একটি গণতন্ত্র চাই, যেখানে মানুষ মুক্তভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে, নিজেদের প্রতিনিধি নিজেরাই নির্বাচিত করতে পারবে। দিনের ভোট রাতে, ডামি ভোট, ইচ্ছেমতো ব্যবসা-বাণিজ্য ও ব্যাংক লুটের রাজনীতি আর চাই না।’
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার ভিত্তিতে বিএনপি দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে। ‘নির্বাচনটি আমরা চাই। দেশের মানুষও চায়। আমাদের একটি সংসদ দরকার, যেখানে জনগণের কথা বলা যাবে,’ বলেন ফখরুল।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এত তাড়াতাড়ি শহীদদের ভুলে যাবেন না। যারা বাংলাদেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে, একটা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য–তাদের কথা একবার ভালো করে মনে করেন। এই বোধ-অনুভূতিটা যদি না আসে, তাহলে আপনি এই দেশের জন্য কিছু করতে পারবেন না। এই দেশকে বদলাতে হবে।’
আক্ষেপ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের ছেলেদের এত আত্মত্যাগ, মানুষের এত আত্মত্যাগ–তার বিনিময়ে দেশে অস্থিরতা যখন দেখতে পাই, তখন খুব কষ্ট হয়। আমরা চাই সবাই মিলে সুন্দর একটা বাংলাদেশ গড়ব।’

আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে পারলে ফ্যাসিবাদ থেকে পরিপূর্ণভাবে মুক্তি মিলবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১ আগস্ট) জুলাই শহীদদের স্মরণে রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে বিএনপির সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের শাসনামলের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভয়ংকর একটা ফ্যাসিবাদ থেকে আমরা আপাতত মুক্তি পেয়েছি। এই মুক্তি তখনই চূড়ান্ত হবে, যখন আমরা তাদের রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করতে পারব। আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা এ দেশকে ধ্বংস করেছে, তাদের প্রতি ঘৃণা তৈরি করুন। তারা যেন আর কোনোদিন ফিরে আসতে না পারে, ফিরে এসে যাতে আমাদের ছেলেদের হত্যা করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।’
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও সরকার পুরোপুরি সেটা করতে পারেনি, তবে উদ্যোগ নিয়েছে—এজন্যও ধন্যবাদ জানাই।’
ফখরুল বলেন, ‘মানুষ এখন আর স্লোগান দেখতে চায় না, মানুষ দেখতে চায় সঠিক কাজটা হচ্ছে কি না। বাংলাদেশের ভালোর জন্য কাজ করছে কি না।’
গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা এমন একটি গণতন্ত্র চাই, যেখানে মানুষ মুক্তভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে, নিজেদের প্রতিনিধি নিজেরাই নির্বাচিত করতে পারবে। দিনের ভোট রাতে, ডামি ভোট, ইচ্ছেমতো ব্যবসা-বাণিজ্য ও ব্যাংক লুটের রাজনীতি আর চাই না।’
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার ভিত্তিতে বিএনপি দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে। ‘নির্বাচনটি আমরা চাই। দেশের মানুষও চায়। আমাদের একটি সংসদ দরকার, যেখানে জনগণের কথা বলা যাবে,’ বলেন ফখরুল।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এত তাড়াতাড়ি শহীদদের ভুলে যাবেন না। যারা বাংলাদেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে, একটা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য–তাদের কথা একবার ভালো করে মনে করেন। এই বোধ-অনুভূতিটা যদি না আসে, তাহলে আপনি এই দেশের জন্য কিছু করতে পারবেন না। এই দেশকে বদলাতে হবে।’
আক্ষেপ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের ছেলেদের এত আত্মত্যাগ, মানুষের এত আত্মত্যাগ–তার বিনিময়ে দেশে অস্থিরতা যখন দেখতে পাই, তখন খুব কষ্ট হয়। আমরা চাই সবাই মিলে সুন্দর একটা বাংলাদেশ গড়ব।’

দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে সম্পদ সৃষ্টি এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
নুরুল হক নুর বলেন, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের নিয়েই কাজ করতে চাই। দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে আমি একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখানে সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে। ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়া আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিকদের স্বার্থে যারা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, তাদের সহায়তায় শ্রমিক ইশতেহার ঘোষণা হয়েছে। যারা আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আসবে। আর যারা ক্ষমতায় আসবে না, তারা ওই ইশতেহার বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগের কাজ করবে
১৫ ঘণ্টা আগে
৫৪ বছরের রাজনীতি নিয়ে দেশের মানুষ হতাশ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় আর এই পরিবর্তনের জন্যই আমরা কাজ করব। কিংবা ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদেরও এই আশ্বাস দেওয়া উচিত।
১৫ ঘণ্টা আগে